বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
উখিয়া থানা ৪ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার লাভ: পুরস্কার নিচ্ছেন ওসি আতিকুর রহমান উখিয়ায় ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের অগ্রাধিকার এখন আর চলচ্চিত্র নয় কেন? আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির ক্যারিয়ারের ৬টি স্মরণীয় ঘটনা আগে গোল দিয়েও মালয়েশিয়াকে হারাতে পারলো না বাংলাদেশের মেয়েরা নবম পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন চলন্ত বাসে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ফেলে দেওয়া হয় ৪০ কিলোমিটার দূরে লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে জর্ডানে পাল্টা হামলা ইরানের কক্সবাজারে বালিয়াড়ি ভরাট করে বাঁধ নির্মাণ: প্রকল্প পুনর্বিবেচনার আহ্বান টিআইবির নারীপাচারের নয়া ফাঁদ ও শিকড়ের সংকট

সাহারবিল ইউপি’র চেয়ারম্যান মহিষ চুরির অভিযোগে বহিষ্কার

সাহারবিল ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোসেন,ফাইল ছবি

ভয়েস প্রতিবেদক, চকরিয়া:

চকরিয়ায় মহিষ চুরির মামলায় সম্প্রতি গ্রেফতার হওয়া (বর্তমানে জামিনপ্রাপ্ত) উপজেলার সাহারবিল ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোসেনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাকে বরখাস্ত করে ওই ইউপির চেয়ারম্যান পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। গরু ও মহিষ চুরিতে অভিযুক্ত এবং নানা অনিয়মের কারণে তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।

সোমবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেসমীন প্রধান স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে চকরিয়া সাহারবিল ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোসাইনের পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সাহারবিল ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোসাইনের বিরুদ্ধে বর্তমানে মহিষ চুরিসহ রায় আছে। এই কারণে স্থানীয় সরকার আইনের বিধি মতে, নবী হোসেনকে বরখাস্ত করে চেয়ারম্যান পদ শূন্য ঘোষণা করা হলো।

সাহারবিল ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোসাইন বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ষড়যন্ত্র করে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, নবী হোসেন ও তার ভাইয়েরা মিলে তৈরি করেছে গরু ও মহিষ চুরির বিশাল গ্যাং (চক্র)। সেই গ্যাং কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন স্থান, এমনকি চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থান থেকে দীর্ঘদিন ধরে গরু ও মহিষ চুরি করে আসছে। নবী হোসেনের এই গ্যাংটি জেলাজুড়ে গরুর মালিকদের জন্য এক মুর্তিমান আতঙ্ক। অসংখ্য চুরির ঘটনা ঘটালেও অনেক ঘটনায় ধরা পড়েছে চোর চক্রের সদস্যরা। এসব ঘটনায় নবী হোসেনসহ তার গ্যাংয়ের সদস্য বিরুদ্ধে ১০টি বেশি মামলা রয়েছে।

সর্বশেষ ২০২১ সালের ৫ জুন মহেশখালীর কুতুবজোমে থেকে ১৮টি মহিষের একটি পাল চুরি করে নবী হোসেনের চোর চক্র। এই ঘটনায় নবী হোসেন চৌধুরী ওরফে নইব্যা চোরা তার ভাই লেদু মিয়াসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। এই মামলায় গত ১৩ ডিসেম্বর কারাগারে যায় নবী হোসেন।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION